খবর

শিশু সুরক্ষার মূল বিষয়গুলো বাস্তব বা অনলাইনে একই - প্রথম আলো

অনলাইনে শিশুদের নিরাপদ রাখতে উপযুক্ত নির্দেশনা দেওয়ার জন্য মা-বাবার প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ হওয়ার প্রয়োজন নেই। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মা-বাবার সঙ্গে সন্তানের সম্পর্ক।

কত শিশু কাজ করত ওই মৃত্যুকূপে - প্রথম আলো

দেশের প্রচলিত আইন শিশুদের কারখানা বা শিল্পপ্রতিষ্ঠানের শ্রমিক হিসেবে নিয়োগকে অনুমোদন করে না। তবে ১৪ বছর বয়স থেকে “কিশোর” হিসেবে গণ্য করে শর্ত সাপেক্ষে নিয়োগ দেওয়া যাবে।

শিশুরা বেড়ে উঠুক সুরক্ষিত পরিবারে, প্রতিষ্ঠানে নয় - প্রথম আলো

এতিমখানা বা অন্য প্রতিষ্ঠানে সহায়তা করার আগে সবাইকে ভাবতে হবে যে শিশুকে পারিবারিক পরিবেশে রাখা যেত কি না। এ দান শিশুর কল্যাণে কাজে লাগছে, নাকি তার জন্য ক্ষতিকর?

শিশুদের শারীরিক শাস্তি বিলোপের জন্য যা করতে হবে - প্রথম আলো

বড়রা যখন শিশুদের কিছু শেখানোর নামে মারধর অথবা বকাবকি করেন, তখন শিশুরা শুধু শাস্তি এড়ানোর জন্যই কোনো আচরণ করতে শেখে। কিন্তু তারা এর কারণ উপলব্ধি করে না। এর ফলে পরে তারা পুনরায় একই আচরণ করে। শেখানোর কৌশল হিসেবে শাস্তি একটি অকার্যকর পদ্ধতি।

শিশুশ্রম প্রতিরোধে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মহামারি - প্রথম আলো

কোভিড-১৯ মহামারির সময় যে বিষয়গুলোতে জোর দিলে শিশুশ্রম প্রতিরোধ করা যাবে তা হলো সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ, দরিদ্র পরিবারগুলোকে সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া, পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যদের জন্য জীবিকার ব্যবস্থা এবং শিশুদের নিরাপদে বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা।