শিশু শ্রমিকের কথা শুনি

শিশু শ্রমিকের কথা শুনি

শিশু শ্রমিকের কথা শুনি

“স্কুলে যাইতে কার না ভাল্লাগে? আমিও গেসিলাম, ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত পড়সি। কিন্তু বাপ আমাদের ছাইড়া চইলা যাওয়ার পর মায়ের একা আমার খরচ চালানো কষ্ট হইতো আর বইনের বিয়াও ছিল তাই আর আগাইতে পারি নাই। মা আগে অন্য বাড়িতে কাজও করতো। ওগুলায় লাভ হয় নাই। পরে আমরা এই দুকান দেই। এখন দোকানই আমাগো সব।
চায়ের দুকানের টাকাতেও পুষায় না। আমার একটা ছোট বোন আছে, একদম ছোট, ওরও মানুষ করা লাগবো। আর বড় বোনের তো অনেক আগেই বিয়া হয়া গেছে। মা’র একার ওপর চাপ না পড়ে, এই জন্যই আমি দুকান চালাই।
কাজ করতে প্রথম প্রথম কষ্ট হইতো, এখন হয় না। অনেক মানুষই আসে এখানে চা খাইতে। তখন অনেকে অনেক কিছু জিগায়। আমার সময় এভাবেই কাইটা যায়।
অনেকরেই তো দেখি স্কুলে যাইতে, ভালোই লাগে। আমার স্কুলে যাইতে ভালো লাগতো কারণ স্কুলে ফুটবল খেলা যাইতো। আমার ফুটবল খেলার শখ অনেক।"

(কথাগুলো বলছিলেন, ১৪ বছর বয়সী শুভ। হাজারীবাগ এলাকায় সে থাকে। পরিবারের জন্য কীভাবে সে পড়াশোনা ছেড়ে বর্তমানে একটি চা দোকান চালাচ্ছে সেই গল্পই করছিলেন শিশুরাই সব এর সঙ্গে।)
 


4 ঘন্টা আগে

মতামত/ পরামর্শ/ প্রশ্ন


“শিশুরাই সব” এর এ পর্যায়ে আমরা আপনাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ আশা করছি।
ওয়েবসাইটে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় কি ধরণের বিষয় দেখতে চান তা জানান। লেখা পড়ে, ভিডিও দেখে শেয়ার বা মন্তব্য করুন। সন্তান পালন বা শিশুসংক্রান্ত বিষয়ে কোন প্রশ্ন থাকলে জানান। আমরা উত্তর দেব।
ওয়েবসাইটে শিশুদের জন্য আপনার ভাবনাগুলো লিখে পাঠান (সর্বোচ্চ ৫০০ শব্দ)। এছাড়া নিজের বা আপনার সংস্থার ভিডিও, রিপোর্ট, অনুষ্ঠানের তথ্য ইত্যাদি শেয়ার করুন। উপযুক্ত হলে আমরা প্রকাশ করব।

যোগাযোগ