শিশু শ্রমিকের কথা শুনি 

শিশু শ্রমিকের কথা শুনি 

 

শিশু শ্রমিকের কথা শুনি 

“আমরা পাঁচ ভাই-বইন, সবাই টুকটাক কাজ করি। আমার বড় ভাইটা, যে আমার থেইকা দুই বছরের বড়, ও পাথরের ডেরিতে পাথর টানাটানির কাজ করে। অনেক খাটনি ওর।

আমি ইস্কুলে সেভেন পর্যন্ত পড়ছিলাম। আর দুই-তিন বছর পরেই বাপ-মা বিয়া দিয়া দিবো। এই যে আমি কাজ করতেসি, ভাইরা কামাই করতেসে; সব টাকা দিয়াই আমাদের পরিবার চলে। বাপ-মা বলসে, কাজে যা, কাজ শিখলে আর আয় হইলে তোরই লাভ। আমার বিয়ার টাকাও এখান থেকে জমাইবো। আমার বড় বইনের বিয়াও এভাবে হইসে। বিয়ার আগে ও ঢাকায় আইসা এক বছর মানুষের বাসায় কাজ কইরা গেসিলো।

আমার বড় কিছু হওয়ার ইচ্ছা ছিল না। ওতো চাওয়া পাওয়া নাই। আমি আমার গ্রামেই সবচেয়ে শান্তিতে থাকি। নিজের ভাই-বইন, বাপ-মা আর পাড়ার বান্ধবীদের সাথে হাসিখুশি থাকা, কথা বলা সময় কাটানো, এইগুলাই আমার ভালো লাগে। ঢাকার থেইকা গ্রামেই আমার বেশি আনন্দ।”

(কথাগুলো বলছিলেন ১৫ বছর বয়সী গৃহকর্মী সুফিয়া। পরিবারের মুখে আর্থিক অনটনে আর নিজের বিয়ের খরচ জমাতে সে এখন অন্যের বাড়িতে কাজ করছে। শৈশবের চেনা গ্রাম আর বন্ধুদের ছেড়ে এক বুক দীর্ঘশ্বাস নিয়ে সে তার জীবনের এই বাস্তবতার গল্প বলেন ‘শিশুরাই সব’-এর সঙ্গে।)

#shishuraishob #chi


শনি, ১৮ জুল ২০২৬, রাত ১২:৩ সময়

মতামত/ পরামর্শ/ প্রশ্ন


“শিশুরাই সব” এর এ পর্যায়ে আমরা আপনাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ আশা করছি।
ওয়েবসাইটে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় কি ধরণের বিষয় দেখতে চান তা জানান। লেখা পড়ে, ভিডিও দেখে শেয়ার বা মন্তব্য করুন। সন্তান পালন বা শিশুসংক্রান্ত বিষয়ে কোন প্রশ্ন থাকলে জানান। আমরা উত্তর দেব।
ওয়েবসাইটে শিশুদের জন্য আপনার ভাবনাগুলো লিখে পাঠান (সর্বোচ্চ ৫০০ শব্দ)। এছাড়া নিজের বা আপনার সংস্থার ভিডিও, রিপোর্ট, অনুষ্ঠানের তথ্য ইত্যাদি শেয়ার করুন। উপযুক্ত হলে আমরা প্রকাশ করব।

যোগাযোগ